পাপড়ি দাস সরকার-এর কবিতা

কবিজন্ম

 পাপড়ি দাস সরকার-এর কবিতা


কোনো এক ভোর কে সাক্ষী রেখে



বিভাজন রেখা বরাবর পলি জমে আছে

এখানে কোনো জাহাজ চলেনা আজ।

ঢেউ যেখানে স্ফীত হয়ে ওঠার ছিল

যেখানে দাগ রাখে বালির চরাচর -

সেই সব রাত কখন মুছে নিয়েছে

ইউকালিপ্টাসের পাতা,

ঘুমিয়ে আছে বিধ্বস্ত কুঁড়ি,

ঘুমিয়ে থাকে মাথার কাছে

ভোর এসে দাঁড়াক।



স্বর্ণ সাক্ষর



একটা পোড়ো অন্ধকারের গা বেয়ে

বর্ণপরিচয় ধারাপাতের আলো নেমেছিল সেদিন

মিয়ানো আলোয় পাশে বসা স্থপতি বাবা

আমার তখন ভিজে মাটি

আলোর বীজ চোখে মুখে

নিমতাবেড়ের রোদ্দুর তখনও কলেজ স্ট্রিটের রাস্তায়

হামা দেয়

আমার তখন ভোর..।

আজ কারণে অকারণে সেই পথে

ছুটে বেড়াই

আর পাই নবীন ধানের গন্ধ...।

বিবর্ণ পোড়া অন্ধকার পরিণীতিতে

আমার এক মাঠ রোদ্দুর

শাখাপ্রশা খায় সবুজ পাতার সংবাদ।




এপিটাফ



ছেঁড়া সময়ের ভাঁজে ভাঁজ ফুটে

সার সার স্মৃতির গোলাপ

তারা সব মাদারি মেয়ের মতো ছলাকলা করে

ভালোবাসা চায় বিষ কাঁটা শরীরে


ছেঁড়া সময়ের ভাঁজে ভাঁজে তারা সব

স্বপ্ন সেলাই করে রিফু করে জোনাকিরা

আলোর শরীর।

বসন্ত বাতাসে ভাসে আলো বীজ, ভালোবাসা,

শিমুলের গুঁড়ো...

অনর্গল সেসব দৃশ্যর দিকে অপলক চোখ

স্থির বসে থাকে নিদাঘ দুপুর..

ছেঁড়া সময়ের ভাঁজে জাগে

কিছু এপিটাফ