খেয়া
সরকার-র কবিতা
স্থবির
সেই যে কোন একটা জমায়েতে
এসে বসে পড়েছিল ওরা
হারমোনিয়ামের ধুলো ঝেড়ে
কতো আলো জমা দেওয়া হলো
ব্যস ওই পর্যন্ত
চারিদিকে কতরকম অসুখ তারপর
আত্মসুখেরা বিদ্রোহী হয়ে দূরত্বে
আর শূন্যেরা হাঁটতে চায় না
দায়িত্ব
সবুজের ঘুমে অপেক্ষা করে
এক অদ্ভুত নীরবতা
যে গান গাওয়া হয় হলো না
তার জন্মদাগ
কোন স্বপ্নের দায় নেয়নি
মুঠো খুলে উড়িয়ে দিয়েছে
মৃত্যুর নিয়মমাফিক কারণগুলো
সংস্কার
আলোর মধ্যে হেঁটে গেলেও
অন্ধকার শুরু করে শূন্য থেকে
শ্বাসকষ্টের আয়ু
জয়ধ্বনির চোখ বন্ধ বাতাসকে
খোঁজে মায়ার পাখির বাসায়
ইঁদুরেরা অপেক্ষা করে
বাঁশিওয়ালা ফেরে না
ঋণ
কোনোভাবেই অপেক্ষা শিখবে না মাথা
আলোছায়ায় ভাসতে ভাসতে
অতীতের সঙ্গে জুড়ে নেয় মিথ্যেগুলো
কবন্ধ মূর্তির সামনে
প্রেমিক আর পুরোহিত
দুজনেই শোকার্ত, বিস্মিত
আমি ঋণ রেখে যাই
রাত্রি আর তার সঙ্গীতের কাছে
ফুলদানি
শরীরের নিজস্ব ভ্রান্তি নিয়ে
গান আর মায়ার পাশে বসে থাকা
আগুনের গল্প শোনায়
বীরভোগ্যা বসুন্ধরা হিংসায় লাল
ড্রয়িংরুমে বুদ্ধমূর্তির পাশে ফুলদানি ফাঁকা