চিত্তরঞ্জন হীরা-র কবিতা
#
নিরর্থের দিনরাত্রি
#
১.
#
ঝরে পড়া
তুলোট নিঃসঙ্গ
আমি তুলতে পারিনা
তবু মুখে মুখে
শিরোনামহীন
শির
ও
নাম
হীন
উহ্যগুলো
ঢুকে পড়ছে
ব্যক্তিগত জীবনবৃত্তান্তে।
#
অনেকের কলকল
শব্দ থেকে নেমে
অনেক কল
ও
জলের শব্দে
তিন কদম আগুপিছু
বিরামচিহ্ন ফেলে
সাঁতরে
এবং গভীর।
#
এ গল্পের কোনও নাম হয়না
শুধু নিস্পৃহতা …
# # #
#
২.
#
অবিচ্ছিন্ন চাঁদ
রুপো গলা
মনবসতের ঘাট
কুলের পানসি
চোখ গলে
স্বপ্ন গলে
ঢেউ ঢেউ পরাণের ঘর
মাঝি একা।
#
ভেজা পথ পিছল পা
মাঝে মাঝে
ওঠা নামা
উঠতে
বসতে
তিন প্রহর
বিলের উপমা।
#
ঘুম পেলে আকাশ জাগে
দাঁড়ের ঠিকানায়
আর কোনও দৃশ্য নেই …
# # #
#
৩.
#
ডুরে আকাশ
পলক রাখি
রাখি আহাকাশ
সাদা বয়সের রিম
একপশলা ঝিমিয়ে
এ
ক
প
শ
লা
সিঁড়ি ভেঙে
আলতা সিঁদুর পরায়।
#
সাজঘরে নাম
থরে থরে
ঘরের সাজ
একটু দুললো।
দোলে দোদুল
আরও কতো স্বপ্ন স্বপ্ন
এবং পরিহাস।
#
আটপৌরে সংসার থেকে
এখনও
পেরোতে পারেনা দীর্ঘশ্বাস …
# # #
#
৪.
#
ঝুঁকে থাকা দৃষ্টি বসলো
ফাঁকা ডালে
ঘনবসতি
জলের আড়াল
আর
দুটো ভারি নিঃশ্বাস নিয়ে
লিখে ফেলে পাখির রচনা।
#
দুপুর তা দিচ্ছে ঘুঘুর পালকে
শব্দরা জমে
ওঠার আগে
সব নিঃশেষ
দৃষ্টির কোনও শুভ থাকছে না
অদৃষ্টের কোনও নাম গান।
#
বুকের ভেতর অতলান্ত
বি
র
হ
ব
স
ন
জমতে জমতে পাথর এখন
ঝুঁকে থাকে
সেই চরণতলে …
# # #
#
৫.
#
নিরর্থগুলো অভিধান থেকে
খুলে
একটু বাহানা
বাজে কি বাজে না-র পর
একটু থেমে
অনেক মেপে
ভেতর বুকে বাঁচিয়ে রাখা
আলো কিৎ কিৎ
ঝ
র
না
র
ম
তো
একটা দূরবীন।
#
এক মহাকাশ সাংরাশ জুড়ে
অন্ধকারের ছড়
টেনে টেনে
টে
নে
টে
নে
বড়ো করছি এখন
শেষ বয়সের শূন্যগুলো ....