কথা কাটাকাটি হয়। সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘোরে, সূর্য ডুবে যায়
আবার উদিত হয়। এবং শৈশবের দেখা রামধনু চিরসত্য থাকে
গতিময় সমস্ত জীবনে। কিছু কিছু অলীকতা আমাদের হাত ধরে
জীবন চালিয়ে নিয়ে যায়, সেই হাত ছাড়াতে পারি না। পাটলিপুত্র নগরে
যদি গ্রীষ্ম ভেঙে পড়ে ভিক্ষুরা কোথায় আশ্রয় পাবে
অনেকে বসন্ত শিয়রে রেখে ঘুমোতে পারে না, এমনকি গ্রীষ্মেও নয়
আমার ভ্রাম্যমানতাও ততটা জরুরি ছিল না --- কফিহাউসের বিকেলে
এইসব সত্য ছিন্ন হতে গিয়ে থমকে দাঁড়ায়, অথবা এরকম বলি ---
জহ্লাদের খাঁড়া তর্জনীর ওঠা-নাম লক্ষ্য করে করে নামে ও থামে, সারা রাত
ঝুলে থাকে অস্ত্রের দোকানে
আর ভীত ভোরটিও আলো না মেখে ঘুমনোর ভাণ করে মটকা মেরে থাকে
ফি বছর এই বাংলায় বৃষ্টির মাসে কালিদাস তুমুল বিষাদে আবির্ভূত হন
সমস্ত বাঙালি ,মরি মরি, শ্লোক-মুখে তাহাকেই স্বাগত জানান
দুহাজার ন’শো চব্বিশ সালে আমি যেরকম প্রাচীন কবিতা লিখব
হে আষাঢ়, এই বাংলাকে পরিত্যাগ কোরো না। ভয় তো করবেই
সবাই, সবকিছু অগ্নিশর্মা হয়ে আছে। গুজরাতি হরফে বাংলা লিখছি বলে
ভেব না আমাকে নতুন কিছু পাইয়ে দেবে সোমনাথ মন্দির, হীরে বিলিয়ে দিতে
আসবে কচ্ছের রাণ থেকে ব্যাপারীরা। মাথার উপরে খরখরে হয়ে আছে হাওয়া
ঘুমিয়ে পড়বার আগে আমিই দেখেছি একটা গোটা দুপুরের ধ্বংসস্তূপ সামনে এসেছে
দেবতারা আসলে মানুষ নয়, অথবা আমিই দেবতা, আর ক্ষয়িষ্ণু দেবতাদের
মানুষ বলে কেয়ারই করিনি। লৌকিকতাও ভাবুক হয়েছে এই অবসরে
সমুদ্রভক্ষণক্ষম এক একটা প্রমোটার যখন খাদ্য-খাদক সম্পর্ক লুকিয়ে
বন্ধুত্ব করতে আসে আমি চা-বিস্কুট অফার করেছি, গোলাবারুদের দাঁত কড়মড়
সেসময় কানে আসে, মানে আমার সাহসেরা যেন ভয় পায়, এরকম আবহ তখন
আমাদের কংক্রিটের স্ট্রাকচার নেই, ভূমিকম্প জানে সেসব পোয়েটিকস
আমাদের গোলপাতা ছাওয়া ঘর-বাড়ি যদি আমাদেরও হয়, আমিও রিসার্চার
প্রশ্ন করেছি, বিপরীতমুখী রেনেসাঁ এই তবে! শ্লীলতার বিরুদ্ধে একশ’আটটা মামলা ঠুকেছি
কেন সে ষড়যন্ত্র করে আমাদের পোশাক পরাতে চায়! আমি মেটাফিজিক্যাল মিরাকেল
বাগিয়ে তোমাদের বন্দরে উপনীত হব আজ, আর নিখুঁত তীরন্দাজ আমি লক্ষ্য রাখি
পৃথিবীর সমস্ত শোপেনহাওয়ার*
*আর্থার শোপেনহাওয়ার নৈরাশ্যবাদী জার্মান দার্শনিক
এক একদিন এত বৃষ্টি হয় কেবলই মন খারাপ লাগে
সামনে শীতকাল গর্জাচ্ছে, আমাদের কাঠকুটো জড়ো করতে হবে
ওগো ধুলো, আমার জন্য একটা সিংহাসন রেখে দিও, উবু হয়ে বসে
আমি ওই অল্প তাপের বিলাসিতা যদি নিতে চাই, যদি ভয় কিছুটা দূরে
রাখতে পারি, আমাকে সঙ্গ দিও, যেভাবে বুনো মৌমাছিরা ফুলেদের সঙ্গ দেয়
নির্জনতম রাস্তায় যেভাবে একটি ঝরনা হামাগুড়ি দিয়ে বসে থাকে কোনো
আকুল দুটি চোখের জন্য, আমাকেও বসে থাকতে দিও
দু-একটা জোনাকির জন্য সারারাত
আমি তাকে দেখি ধুর্ত জাদুকর, ফাঁকা মাঠের ভেতর কীভাবে সে ফসলের বান ডাকে
চুপি চুপি সন্ধ্যার দিকে যখন কৃষক ফিরে গেছে ঘরে, আমি তার মাঠের সন্তানের
কাছে যাই, রাজপুত্র রাজকন্যার গল্প করি, মাঝরাতে আমি ধানের শিসের পাশে ঘুমনোর আগে
তারাদের চিনিয়ে দিই খুব ---- ওই দেখো অরুন্ধুতি, আর তাকে ঘিরে পাহারায়
তিনশ’ প্রেমিক উজ্জ্বল চোখে
আমাকে মৃত্যুর সরঞ্জামও জড়ো করতে হয়, যেভাবে শান্তিনিকেতন মরে যায় খোয়াইয়ের পাশে
আমিও ডুমুর গাছের নীচে উইপোকাদের এনে রাখি, অল্প জল ও আহার দিই, একটু ফুরসতে
একদিন ওদের খাদ্য হতে ঢুকে পড়ব নিহত বাল্মীকি
ইস্কুলে যাবার পথের বৃষ্টিরা কোথায় গিয়েছে
আমার মনে হলো আলো কমে আসছে। তুমি বললে না, নদী থেমে আছে
কোনো কিছু থেমে থাকলে, মানে একই জায়গায় তোমার চোখ চালাতে হলে
কিছুটা ঝাপসা তো লাগবেই। এ কথাও যুক্তিযুক্ত, ফলে আমাকে সিরিয়ালবালাদের
শরীর স্বাস্থ্যের কথা জিজ্ঞাসা করতে হয়,টি আর পি-র হিসেব-নিকেষ বুঝে নেবার
ভান করতে হয়। ওদিকে দার্জিলিং মেলের সময় হয়ে আসে, মানে আমাকে শুনতে হবে
নিবেদিতা ব্রিজের উপরে তার ঘুঙুর আওয়াজ
কল্পনা ও রিয়েলিটির ভেতরকার বিরোধের মীমাংসা করতে গিয়ে দেখেছি, অনেক জোড়াতাপ্পি দিতে হয়
যেভাবে সরকারি কোষাগার নিকেষ করবার জন্য আমাদের সড়কগুলো এবড়োখেবড়ো ড্রেসিং পায়
প্রত্যেক বর্ষার আগে। ওই চিকেন নেক ধ্বসে পড়লে মেনল্যান্ডের সঙ্গে উত্তরপূর্ব ভারতের আর
কোনো যোগাযোগ থাকবে না জেনো। তাহলে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করে ফেলা তো দরকার। চীন
পাহাড় খুবলে সুড়ঙ্গপথ বানিয়ে ফেলেছে। এদিকের জনগণ ওই দিকে পাড়ি দিতে পারে যেকোনো দিন
তখন কান্নাকাটি করলেও কিচ্ছুটি শুধরানো যাবে না
ইস্কুলে যাবার পথে যেসব বৃষ্টি আমাদের ভেজাত তারা সব কোথায় গিয়েছে! ভেজা জামা-প্যান্ট
এতটা মোক্ষম ছিল, যে শুরু হয়েই স্কুলের ছুটির ঘন্টা বেজে যেত। সেসব আনন্দ জ্বরে পড়তে পড়তে
কত যে নিয়েছি! শাসকেরা জানে মানুষ মূলত ভিখিরি। রাস্তায় একটা কয়েন কুড়িয়ে পেলে আমাদের মুখ
এতখানি চকচকে হবে যা কোনো দামি ক্রিম লাগালেও সম্ভব হবে না
আমরা প্রত্যেকেই কল্পনাপ্রবণ আর একবারও অন্তত ভাবি অন্যের হাতে নয়, যেন নিজে নিজে খুন হতে পারি
এই তো কাঁপতে থাকা ভিজে যাওয়া কবিতা আমার
ফিন্কি দিয়ে বেরিয়ে এসেছে রোদ। ওগো ও জুলাই
বিরোধীদের মেরে যে তক্তা করে দিচ্ছে!খুচখাচ বৃষ্টি পড়ার কথা
এসময়, উত্তরবঙ্গের পাহাড় হাঁকডাক করবে একটু আমাদের জানা
আর শহরের খানা-খন্দের রাস্তার উপরে শয়ে শয়ে গালাগালি
রোজই উপচে উঠবে --- এ আমাদের গা-সওয়া। কিন্তু ওরকম
রোজ রোজ ৩৫৫, ৩৫৬-র মুখ ভ্যাঙচানি কাঁহাতক ভালো লাগে বলো
লাইটুমুখরার দিকে কমলালেবুর গাছ চাঁদবুকে তোমাকে ডেকে নিয়ে গেছে
বাংলার বাইরে ওরকম ঝরঝর মুখরতা হয়ত মানায়। রাস্তা-ঘাট ধোয়া-মোছা
ওদিকে অক্সিজেনও টানটান, চামড়ায় ফুসকুরি নেই। কিন্তু আমরা কি করি
হাইকোর্ট-ভরসা বেঁচে থাকা প্রাকটিস করতে করতে কলসির সঞ্চয় যে ফুরিয়ে এলো
তুমিই বলো এসময় শাড়ির আঁচল ঠিক করার সময় কে আমাকে দেবে
চোখে পড়ার মতো করে টলি সিরিয়ালগুলোর টি আর পি মুছে যাচ্ছে রোজ
খাবে কি ওরা! তবে নিউজ-বিনোদনের জন্য বাংলাকে খাসা গল্প দিচ্ছে
ইলেকশন কমিশন, রাজনৈতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে যথেষ্ট নাম হল আমাদের
তেমনি আমার হাভাতেপনা ঠিক নজরে পড়বে, ফেসবুকে প্রোফাইল পিকচার
পাল্টাচ্ছি ঘন ঘন ---গোল কালোটিপ না দগদগে লালের চাঁদ কপালে মানাবে! কে জানে
আপাতত বৃষ্টি ধরছি গণ্ডুষে, বৃষ্টিতে মন খারাপ করে, মন খারাপ করতে ভালোও লাগে আমার
অনেক কিছুই, হয়ত সমস্ত কিছুই এমনি এমনি ঝর ঝর ঝরে
এই যে নিহত করি সূর্যের আলো, অমেয় বাতাস, ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ আমিকেও
দেখো অভিযুক্ত করছে না কেউ। দেবদেবীদের ভিড়ে গা-ঢাকা দিয়েই আছি
আমি সেই করুণ মানুষ, নিজেকে স্বীকার করি না, অস্বীকারও নয়
পথে নেমে আসে সংবাদপত্র, কোথাও দিঘির হৃদয় উঠে আসে। বৃষ্টিপাতের পরে
চোখে পড়তে পারে আমিহীন এক একটা পাড়া এগিয়ে এসেছে, সঙ্গে ট্রলিব্যাগ
স্টেশন চত্বরে লাল কুলিরা উধাও
ব্যাপারীরা ওই দিকে বসে বারো মাস, ওই অন্য দিকে টুকরো ঝরনার স্খলিত আওয়াজ
ট্যুরিস্ট গাইড যত বলে তত ভুলে গিয়ে আমরা প্রত্যেকেই মোবাইলে ছবি তুলি
প্ররোচিত হবার এই স্বল্প আয়ু জমাতে জমাতে নেমে আসতে হয়, কয়েকবার কাকতালীয়ভাবে
তোমাকে দেখেছি লোকাল ট্রেনের দিকে ধাবমান সন্ধ্যার আকারে, হানাবাড়িটিতে
ফিরে যাবে, আমরাও ফিরছি তখন নিষ্ঠুরতার কাছে, আর কিছু না ভেবেই ঘুমিয়ে পড়াই
শ্রেয়তর করি রোজ
কিছুই বলতে চাইনি আমি, কিছু বলবারও নেই, জানি প্রবল অনীহা নিয়ে এই হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস
অর্থহীন ঘোরাঘুরি করে, ভোরবেলাগুলি এমনি এমনি ফোটে, বৃষ্টিও নামে
প্রতিটি বৃষ্টির ফোঁটা অন্যটির থেকে যথেষ্ট আলাদা
আসে বর্ষাদোষ। গাছেরা যে তিতিবিরক্ত জানাব তোমাকে
মানে প্রয়োজন ফুরিয়েছে বলে জানালা-দরোজা খুলে দিতে হবে
এমন আবদার শুনব না পণ করি, যে কোনো ইচ্ছে জন্ম নিলে নিক
ব্যাঙেদের জিভ এত দূর লাফ দেয়--- পোকা ও পোকানি ভয়ে থাকে, দেখি
এই যে সমুদ্র মারফত আমরা যোগাযোগ রাখি, অনেকেরই পছন্দ নয়
বস্তুকণিকারা অশরীরী রূপ নেয়, ভোট বাক্সেও অভিমান লাগে
শেষে তোমাকেই তুলে দিই রোমহর্ষগুলি, যাবে অগস্ত্য পাহাড়ে
এক একদিন অক্ষরশালায় আসি, কয়েকপ্রস্থ তুমুল চেঁচাই
কারা কারা ঘুমিয়ে রয়েছ বলো, ভিন দেশ থেকে আনতে দিয়েছি
শক্তিশালী বৃষ্টিদের, ওই এসে পড়ল বলে, চোখ খোলা রাখো, দেখো
বাংলার মেয়ে ঘুঁটে দিতে দেয়ালবর্গীয়দের কাছাকাছি চলে আসে ফের
মাথার উপরে মাথা, দেখো তারও’পরে মাথা ভেসে ওঠে
ভিজে যাচ্ছে বিমানের ডানা, সকালের অল্প রোদও ঝিরঝিরে আষাঢ়ে
স্নান সেরে মাথা মুছে নিতে নিতে আমাকে তাকালে ভিজে উঠি
একটা জাহাজভর্তি নদী পেরিয়ে উঠে এসেছে লেকমলের পাঁচতলায়
তোমার চোখ দুটি, আমি তো ভিজে উঠব অমন আকুলতায়
মাটি আজ ভোর থেকেই নিজে নিজে সেজে উঠছে, আজ বৃষ্টির উৎসব
তোমার হাতের ভেতর থেকে স্বপ্ন উঠে আসতে দেখেছি একদিন
যে হাতে তুমি পশুকে আদর করো সেই হাতের ছোঁয়ায় এক যুবকের
ঘাড়ে কেশর লাফিয়ে উঠতে দেখি, দেখি ঠোঁটে ঠোঁটে মিলনের পর
যুবকের শ্বদন্ত ঝিকিমিকি করেছে হঠাৎ, আমাকে তাকাতে হয় বর্ষার ওপারে
দরোজা খুলে গেছে সমুদ্রের দিকে । ঘুমোতে যাবার আগে বুঝি সমুদ্র
কিছু কথাবার্তা বলে নেবে
যেকোনো ভেজার ভেতর আজকাল এমন হয়েছে আমি তোমার দুচোখ দেখি
মৃত আত্মাদের স্নান চোখে পড়ে, পাহাড় পেঁচিয়ে, জেনো, ঝরনারা
এমনি এমনি কসরত রত নয়, মানে আছে
মাসকাবারি ঋতুগুলি আমাকে কিম্ভূত বানিয়ে রেখেছে
নদীতে নেমে যাবার অভ্যাসে এই জুন-জুলাইয়ের ভেতর নেমে যাচ্ছি
আমার সমবেত অজুহাতগুলি কিছুটা গড়িমসি করলেও, মানে গদাইলস্করি
ভূমিকা দেখালেও সুরে ও বেসুরে তারাও তো পথ সঙ্কীর্তনরত, লেফট রাইট
আমার ভূমিকাটিকে এসময় আমি চিহ্নিত করার চেষ্টা করি, মানে আমি
বিশেষ কোন্ ভঙ্গি দর্শাতে পারছি জুন ও জুলাইকে, আর এই তেষ্টাভ্রমণ
প্রকৃতিস্থ করে পরবর্তী কয়েকটি মাসের ভেতর আমার নেমে যাবার ছন্দ কী হবে
দেবী প্রধানাকে বলি, আরও একটু পিছিয়ে যাও, অক্টোবর মাসেও রিমিঝিমি নৃত্য হতে পারে
তাছাড়া জুলাইয়ের পঞ্চায়েত বোমা-বারুদ সব ক্ষয় করে ফেলবে যে, মধুকৈটভরাও
ক্লান্ত থাকবে এমন যে তোমার জন্য বাড়তি উদ্যম দেখাতে পারবে না, এসো না এখন
অনেকদিন ধরে লক্ষ্য করছি ক্যালেন্ডার আমাকে বশ করতে চায়, মানুষের বশ হবার
ঝোঁক নজর করে ক্যালেন্ডার আমাকে সাদা পাৎলুন পাঠায়, কখনো কখনো কাজ আছে দেখে
সে আমাকে পাঠায় ওষুধের প্রেসক্রিপসন, হাওয়া বদল করার টিকিট, চিৎপুরী চাঁদও
এবছর বর্ষা চলে গেলে, ভেবেছি, দাসত্বে ঢোকার আগে আমি ক্যালেন্ডার থেকে
মাসগুলি খুলে দলামোচরা করে ধাপার মাঠে পাঠিয়ে দেব --- যা, সেখানে গিয়ে রাজনীতি কর
বাংলা ভিজে যায় অনর্গল বোমা ও বারুদে
আষাঢ় প্রকাশিত হলো। বাংলা ভাষায় এরকম আরও কিছু জানাজানি আছে
এক কবি সুপর্ণাকে সিগ্ নিফায়ার করে দিব্য কাটিয়ে দিলেন, তাঁর
জেনেছি অশোকস্তম্ভের ভয় নেই, আদুরেপণার সাথে সুপর্ণারা
খানিকটা ঘুরে যায় ভরা গ্রীষ্মের জলবায়ু জুড়ে
আমাকে উৎপল বলেছিলেন সকলেই প্রতিদ্বন্দ্বী, এমনকি বর্ষা ও শীতের
প্রতিটি অক্ষর এ ওকে শাসায়
এ বাংলা মাৎস্যন্যায়ে নীত আর অনেকেই জেব্রাক্রসিং ধরে কসরত করে
উড়োজাহাজেরা আছে, বৌ-বাচ্চাদের চা বিস্কুট দিয়ে এভাবে আমাকেও যেতে হয়
দুপুরে, দামুরে। দামুর একটি পুরনো পানশালা টেরিটিবাজারে ...
আঁচল নিংড়ে নিয়ো তুমি, তোমাকে বলছি, যে ভিজেছ অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গের ঘোরে
দেহে কিছু ভৌতিকতা জমে, তা ক্রমে ভিজে বস্ত্র ছেড়ে বেরিয়ে আসতে গেলে
মনে হবে দিনে-দুপুরে মাঝরাত মুখরিত হলো। যেভাবে সকালবেলায় রোজ রোজ
সন্ধ্যাবাজার হেরে যায়, ধান-চাল ছাড়াই লোকে ধান ভানে। কোনো বৃষ্টি কাহিনি নয়
বাংলা ভিজে যায় অনর্গল বোমা ও বারুদে
কী বলি! এত কবিতা মানুষে পড়ে!
উত্তরমুছুন