অরুণকুমার দত্ত

কবিজন্ম
0

আল্ট্রাগুচ্ছ

১.

করাত চালিয়ে দিলেও খান খান হচ্ছে না    সে


কথা হচ্ছিল ড্রাইভিং লেন্স এক্ষেত্রে কতটা প্রয়োজন

মুস্তাফা, আপনার ড্রয়ার খুলে আমি আসলে কিচ্ছু পাইনি

কিছু মাঘের বোতাম আর টুপি ও কালো রুমাল ছাড়া


হাইড লাইনগুলো তাহলে কোথায় গেলেন!


এরপর ম্যাজিসিয়ান বোঝালেন 

আসলে যা যা টেক্সচার পড়ে থাকে 

তারও  ভোল্টেজ আছে

পোার্টফোলিও কেউ  নিশ্চয়ই বানাবেন            

ঘোড়দৌড় বিষয়ক

এই তো যেমন এক পিংক রঙের মস্তান 

সাইয়ারা চিবোতে চিবোেত গলে গেল অনায়াসে

সোর্স নেই

কোড নেই

জাস্ট ক্লিক করে ফুঁড়ে গেল            মডেল


ডার্টি লাইন আমি সত্যিই বুঝিনা বেহাই

মিলিজুলি থেকে ওবেরয় সব খাস্তা বিবেক টাওয়ারে লেপ্টে আছে

গ্রাফিক্স বউদির গালে হাম্মি ফুটে জেগে উঠছেন মৌল লোটাস

হিলিং আর হলো না কত্তা চক্করে পড়ে

প্যাটেল ঘুরিয়ে ঘুিরয়ে তাহলে আপাতত

ডার্টি লাইন ফুল অন এনার্জি দিয়ে পড়ুন

ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বঁাধুন কুয়াশাবৃত্ত ছন্দে

আপনি তো পোয়েট

আপনার প্লেটলেট  টেস্টের প্রয়োজন আছে কী

যেরকম ক্লডযোনি এখন অনেক সহজ লেস দেন আলাদীন মর্দনে


২.

ফুল খেলিতে পায় 

না পায় তাঁর ব্রহ্মমালিক 


তাই তার আঁচিল ও পাঁচিল 

সমাহারে দ্বিগু বায় 


বাজানের দিন ছিল এক 

ভূ-পরিক্রমণে মাটির গানগঞ্জ ছিল 

পাতালেও পৌঁছে যেত সেসব সেলুকণা 


আষাঢ়ের ঘাম আমিও দেখেছি 

ঘামের বন্যায় মেঘেদের রাগ যেত ফেটে 

যোনির রাগও প্রেতেদেরও স্বকাম মনস্ক করে 


করুক হে হাতল 

সব চুনকানি ঘা তোর ঘর্ষণেই থেমে যাবে 

সেরে যাবে সব থাম্বনেইল 

আর ভোঁদড়ের গান 


ন্যাওটা সাঁকোটির স্রোত 

একদিন 

হবিষ্যন্নের পাড়ে এসে 

ফাটিয়ে দেবেন বঙ্গীয়যাত্রাপালার গর্জিলা ফুসফুস



৩.

প্রারম্ভিক টীকাটি আমার নেই 

ফলত রেচন প্রক্রিয়ায় 

মুঘলি বাতাস নেই 


নায়েবের পাতে একটি কলপ কালিয়া রেখে সরে পড়লুম 


বৃষ আমাকে চোখ রাঙাইয়া বলিয়াছে 

সাম্রাজ্যে প্রবেশের আগে 

পাপোষে মাথা মুছে নেওয়া আবশ্যক 


অর্থাৎ এবার বজরায় শুয়ে বায়ুসেবন 

আর রাম বন্দনা

তবে তার ফিতে কাটবেন কে!


আসুন বেয়াই আমরা মালর্মের 

ফাতনায় টান দিই

আর বারো প্রহর ভীম পদাবলী বাজাই


বুঝতেই পারছেন আপাতত গুটিকমাত্র নালার সম্রাট আমি 

পচা হেমলক খাইয়ে হত্যা করিয়েছি

মহেঞ্জোবাঈ

তাঁর টিকলির সৎকারে  আমি হস্তী রূপেণ


ঐ আমার চিরায়ত ঢেউ


৪.

হাত উঠিয়ে দিয়েছে 

আমাকে 

আমার প্রোফাইল হিলস্কেপ পেয়েছে 

ব্রাশ ও খোঁদাই-এর মাঝে এখন 

অনুপাত 

নাকি শিরোগ্রাম 

সেলফি ও ঈষৎ ব্লার 


পোস্ট মানে তো অ-গণিত 

ব্রাকেটে ম্যাম তোমার মানে নেই 

আজও এক্টিভেট হলে না 

কি জানি শ্যামধনু বলে কিছু হয় কিনা 

তাগিত আছে কিনা গাছও জানেন না 

না জানার জোর আছে কিনা তাকেই বা বলবে

প্যারাপিটে মই ডিজাইন না রেখে 

ভালো করিনি 

আমার ইচ্ছে 

এই এত উঁচু থেকে ঝুঁকে দেখা 

হে আমার স্বর্ণ গোধিকা 

হে পোষা ব্যাধি ও জোছনার শীলমহর 


যেটুকু সামান্য ভূমি 

তার পালস দেখা হয়নি কতদিন 

বুকে কফ জমেছে কিনা 

বৃষ্টি কাঁদায় মরমিয়া ভাইজান 

তোমাকে প্যাটেল করছি 

জোরে উঠছি কিনা জানিনা 

জানিনা যৌথই বা কবে হবে 

হ্যাসট্যাগ আতশিয়া পা বাজবে



৫.

কাট ওফ যাইহোক 

আমি খেজুর তলার পথে 

হিউয়েন সানসেট দেখিতেছি 


চীনের প্রাচীর থেকে উড়ে আসছেন যে কাঠঠোকরাটি 

তিনি আমার পিতার ছাদে এসে বসবেন 


চাঁদ ঢালাই দেখবেন 

এই ফাল্গুনে 

রং চটা গল্পটি মুখ থুবড়ে পড়িয়াছে

আর তার চরিত্ররা ছিটকে গিয়েছেন মহাকাশে 


এইবার বায়ুবিরোধ শুরু হলে

মহাকাশযান নিয়ে দুকলি শোনাবো


এই যেমন ধ্বস ও বিয়োগের পর 

অস্পষ্ট হর্ন ও সামান্য ঝিলমিল 

কেঁদে ওঠেন


এটুকুই তাহলে পুরুষকার 

ফ্রেঞ্চ কাট স্বর্গেটিকে দেখা যাবে এরপর তক্ষরেখায় 


হায় হিয়া 


সামান্য হাইফেন গলে চলে এসেছি 

এই রত্নসভায়

বাতাসে হাওয়ায় আছি মিশে





একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)